দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জামায়াতের সঙ্গে জোট থেকে বেরিয়ে এসে স্বতন্ত্র রাজনীতি করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তার দাবি, এখনই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও শিগগিরই জামায়াতের জোট থেকে বেরিয়ে আসতে পারে এনসিপি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, এনসিপির কয়েকজন তাকে জানিয়েছেন, এখনই ঘোষণা না দিলেও একপ্রকার শান্তিপূর্ণ বিচ্ছেদের মতো শিগগিরই জামায়াতের জোট ছাড়বে দলটি। শুক্রবার এনসিপির গণবিক্ষোভ কর্মসূচি এবং দলটির নেতা আসিফ মাহমুদের বক্তব্য শুনে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ওই গণবিক্ষোভ থেকে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে তেমন কারও বক্তব্য চোখে পড়েনি। তবে ইতিবাচক দিক হলো, অনেক দিন পর এনসিপির কর্মসূচিতে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। জামায়াতের সঙ্গে জোট করার পর দলটির কর্মসূচিতে খুব বেশি মানুষের উপস্থিতি ছিল না। দীর্ঘ সময় পর হাজারের বেশি মানুষের অংশগ্রহণ এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির জন্য আশাজাগানিয়া।
রাশেদ খাঁনের মতে, এভাবে স্বতন্ত্রভাবে রাজনীতি করতে পারলে আগামী এক বছরের মধ্যে এনসিপি একটি বড় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের শূন্যস্থান পূরণেও সক্ষম হতে পারে দলটি।
তিনি বলেন, এভাবে কাজ চালিয়ে গেলে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও এনসিপির প্রধান বিরোধী দল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। দলটি বারবার এমন স্বপ্নের কথা বলে আসছে। তবে জামায়াতের ওপর নির্ভরশীল থেকে প্রধান বিরোধী দল হওয়া সম্ভব নয়। এই উপলব্ধি এনসিপির অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে প্রবল হওয়ায় শুক্রবারের স্বতন্ত্র কর্মসূচি।
তবে এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে বড় বাধা হিসেবে দলটির আট সংসদ সদস্যকে উল্লেখ করেছেন রাশেদ খাঁন। তার ভাষ্য, আগামী নির্বাচনেও জামায়াতের ভোটে সংসদ সদস্য হতে তারা জোটের রাজনীতি ধরে রাখতে মরিয়া। অন্যদিকে, এনসিপির অধিকাংশ নেতা স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষে।
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন বলেন, এনসিপির প্রাথমিক সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়, নাকি দলটি জামায়াতের পকেট সংগঠন হিসেবেই থেকে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে এনসিপির জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনাও জানান তিনি।
/অ